মঙ্গলবার ১৬ অক্টোবর ২০১৮



রায় ঘোষনায় খুশি হলেন একুশে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত মামুনের বাবা-মা


আলোকিত সময় :
10.10.2018

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

আদালত যে রায় ঘোষনা করেছেন তাতে আমরা খুশি। একুশে আগষ্ট গ্রেনেট হামলায় নিহত ছাত্রলীগ নেতা মামুনের বাবা-মা রায়ের প্রতিক্রিয়ায় গতকাল বুধবার এমনটি জানিয়েছেন সাংবাদিকদের। মামুন মৃধা পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার পশ্চিম আলিপুর গ্রামের দিনমজুর মতলেব মৃধার একমাত্র ছেলে । মামুন ঢাকা কবি নজরুল সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মী ছিল। এখন এ রায়টি যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন হয় এমনটি দাবী জানিয়েছেন মামুনের মা মোর্শেদা বেগম। ২০০৪ সালে একুশে আগষ্ট মামুন গিয়েছিল বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তৎকালীন বিরোধী দলীও নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনাকে হত্যার উদ্যেশে গ্রেনেড হামলা করা হয়। এ সময় প্রাণ হারায় দলের শীর্ষ নেতাসহ ২৪জন। আহত হন দলের শীর্ষ নেতাসহ শতশত নেতাকর্মী। নিহত ২৪ জনের মধ্যে ছিল পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার পশ্চিম আলিপুর গ্রামের দিনমজুর মতলেব মৃধার একমাত্র ছেলে মামুন মৃধা। মেধাবী ছাত্র মামুন মৃধা ছিল ঢাকা কবি নজরুল সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মী। এক মাত্র সন্তান হারানো বেদনায় এখনও ঢুকরে কাঁদেন বাবা মতলেব মৃধা মা মোর্শেদা বেগম। বিচারের আশায় তারা এতদিন ছিলেন। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষনা হয়েছে ্ নৃশংস হত্যাকান্ডের। রায়ে খুশি নিহত মামুনের বাবা ও মা, তবে তারা আশা করেছিলেন তারেক রহমানের ফাসি হবে। রায় অীত দ্রæত কার্য়করের দাবী জানিয়েছেন নিহত মামুনের স্বজনেরা। উল্ল্যেখ অঅওয়ামলীলীগের সভানেত্রি শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্য ২১ আগষ্ট চালানো গ্রেনেড হামলায় সাবেক স্বরাষ্ট প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস ছালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যু দন্ড দিয়েছে আদালত। এই মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ হারিছ চৌধুরী, সাবেক সাংসদ কায়কোবাদসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন দিয়েছে। বুধবার দুপুরে বিশেষ জজ আদালত -৫ এর বিচারক শহেদ নূর উদ্দিন এ রায় দেন।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি