বৃহস্পতিবার ২৯ নভেম্বর ২০১৮



নওগাঁ সদরে জমজমাট দাদন ব্যবসা জিম্মি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ


আলোকিত সময় :
29.09.2018

নওগাঁ সদর প্রতিনিধি :

নওগাঁ সদরে লাগামহীন বেপড়োয়া গতিতে চলছে দাদন ব্যবসা, তাতে জিম্মি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। লাইসেন্স বিহিন এবং বহুমুখী সমবায় সমিতির আরালে। এই সমস্ত বিষয় গুলোর ইতি বাচক প্রভাব পড়ছে জাতীয় সনদপ্রাপ্ত সমবায়ী প্রতিষ্ঠান গুলোর উপর। সরেজমিনে দেখা গেছে বহুমুখী সমবায় সমিতির নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে স্থানীয় পাতি মা¯াÍনদের সহযোগীতায় বিভিন্ন কৌশলে নিন্ম আয়ের, অশিক্ষিত সাধারণ মানুষদের মাঝে ঋনদানের পর আদায় করা হচ্ছে মোটা অংকের অর্থ। লোকদেখানো ঋনফরমে ৪০% সুদ লেখা থাকলেও তার কোন বাস্তবায়ন নেই। গ্রাহক দের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ৮০-১৫০% পর্যন্ত। বহুমুখী সমবায় সমিতি ধার্য করেছে ৩০%। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সমবায়ী নিয়মনীতির ভাবমূর্তি নষ্ট করে ১০০-৪০০% পর্যন্ত সুদ আদায় করছে। আবার কেউ কেউ দিন কিস্তি  ২ হাজার টাকা ঋন দিয়ে ২৪ দিনে পরিষোধ অর্থাৎ ২০০% । বøাইং চেক ও বøাইং ষ্ট্যাম্প দিয়ে গ্রাহকদের মামালায় জড়িয়ে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছে, তাতে সাধারণ মানুষ মানুষিক ভারসাম্য হাড়িয়ে শারিরীক ও মানুষিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ভিটেমাটি ছাড়া হচ্ছে এমনকি আতœহত্তার মত পথও বেছে নিচ্ছে ভুক্তভোগীরা। এ সমস্যার সমাধান কোথায়? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী নওগাঁ সদর ভবানীপুরের  মেছের আলী (৪৭) আলোকিত সময়কে জানান আমি ২০১১ সালে ১ জনের কাছ থেকে প্রথমে ৩ হাজার টাকা ঋন নেই আনুমানিক কিস্তিতে প্রায় ১২০০ টাকা পরিষোধ করি তারপড়ে আবার ৫ হাজার টাকা ঋন নেই ১ মাস পড় ১৫ হাজার দিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলি। বর্তমানে ২০১৮ সাল সাত বছর পড় উনি আমার কাছে এখনো দাবী করেছেন ১৫ হাজার টাকা। এ বিষয়ে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) আব্দুল হাই জানান এ সমস্ত অসাধু দাদন দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ব্যক্তিগত ভাবে আমি ইউনিয়ন পর্যায়ে মাইকিং করছি যারা হাজারে ১০০-১৫০% সুদ নিচ্ছে বা দিচ্ছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। ৭০% ওয়ারেন্ট ইশ্যু হচ্ছে চেকের মামলার বøাইং চেক দিয়ে ঋন নেবার পর দিতে না পাড়ায় ইচ্ছে মত অংক বসিয়ে হয়রানি করছে ঋনদাতারা সাধারণ মানুষদের। অধিক মুনাফায় ঋন নেয়াদেয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে পুলিশকে তথ্য দিন।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি