সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮



নওগাঁয় দৃষ্টিনন্দন ডানাপার্ক


আলোকিত সময় :
06.09.2018

নওগাঁ সদর প্রতিনিধি :

বগুড়া জেলা থেকে বেড়াতে এসে রাসেল ডানাপার্ক থেকে ফিরে জানালেন। আমি সৌখিন মানুষ ভ্রমন পিপাসু বিভিন্ন সময় বন্ধু বান্ধবদের সাথে গোল টেবিলে বেশ কিছু জায়গাতে নওগাঁ ডানা পার্কের গল্পশুনে আসছি। হঠাৎ একদিন শুক্রবার আমি আর জাহিদ বগুড়া থেকে খুব সকালে রওনা হলাম নওগাঁ ডানাপার্কের উদ্দেশ্যে। যখন সকাল ৮:৫২ মিনিট সাইনবোর্ডে লেখা দেখলাম, নওগাঁ বাইপাস গাবতলী দাড়ালাম একটি চায়ের দোকানে। দুই বন্ধু মিলে জমিয়ে চা-চক্র সারলাম, স্থানীয় একজন কে বললাম ডানাপার্ক কতদুর জানতে পারলাম সামনে দেখা যাচ্ছে তুলশীগঙ্গা ব্রীজের পূর্বপার্শ্বে দক্ষিণ দিকে নেমে যাওয়া সংযোগ সড়কের একটু দুরে তিনতলা বিল্ডিং নওগাঁ মাল্টিপারপাস্ কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ এর হেড অফিসের পূর্বপার্শ্বে ডানাপার্ক। ভেতরে যখন গোল সুইমিংপুলের গোলাকার দৃশ্যটি দেখছিলাম ঠিক তখনই ফোনে জানতে পারলাম ট্রেন যোগে ডানাপার্কে শুভ আর রাজু আসছে। জাহিদ কোথায়’’ দেখি বানরের সাথে সেলফি তুলছে, ব্যাঙ এর ছাতার উপরে ব্যাঙ, মৎস্যকন্যা, জলপরী, হরিণ, অজগর, হাতি, হঠাৎ শিয়াল পন্ডিত এর সাথে দেখা সেল্ফি উঠালাম। বাংলোর সামনে বন মানুষ এই সমস্ত ভাস্কর্যগুলি খুবই চমৎকার দেখতে। ছোটদের ট্রেনে বাচ্চারা আনেক মজা করছে খুব ভাললেগেছে বøু ওয়াটার সুইমিংপুল প্রায় ১ ঘন্টা ধরে চার বন্ধু মিলে সুইমিং করলাম। সত্যবলতেকি সেদিন নওগাঁ সদর ভবানীপুর পার-নওগাঁ থেকে ভেজা গায়ে মাটরবাইকে বগুড়া ঠনঠনিয়া পর্যন্ত এসেছিলাম। স্থানীয় বাসিন্দা রুনু জানান অনেকটা বছর দেশের বাহিরে ছিলাম। পরিবারের কাছে ফোনে শুনেছিলাম আমাদের এখানে একটি পার্ক নির্মান হচ্ছে। দেশে ফেরার পর যখন আমি বাস্তবে পার্কের ভেতরে গিয়ে দেখছিলাম তখন আমারকাছে মনে হয়েছিল এ যেন এক দৃষ্টিনন্দন স্বপ্নের ডানাপার্ক।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি