বৃহস্পতিবার ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮



ভূরুঙ্গামারীতে কাস্টমসের সিন্ডিকেটের কারণে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার


আলোকিত সময় :
06.08.2018

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর বিভিন্ন সীমান্ত পথে পাচার করে আনা গরু বিজিবি কর্তৃক আটকের পর নিলামে বিক্রি করা হলেও প্রভাবশালী ব্যক্তি ও কাস্টমসের সিন্ডিকেটের কারণে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
জানা গেছে, করিডোর পদ্ধতি তুলে দেয়ার পরেও উপজেলার ধলডাঙ্গা, ময়দান, শালঝোড়, বহলগুড়ি প্রভৃতি পয়েন্ট দিয়ে সীমান্ত গলিয়ে প্রতিদিন অবৈধভাবে শতাধিক গবাদি পশু পাচার হয়ে আসছে বাংলাদেশে। বিজিবি টহল দল মাঝে মধ্যেই এই অবৈধভাবে আনা ভারতীয় গরুর মধ্য থেকে কিছু কিছু গরু আটক করে এবং সেগুলো নিলামে বিক্রি হয়। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাতানো নিলামে আটককৃত গরুগুলো বিক্রি হওয়ায় প্রকৃত রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। গত কয়েক দিনে বাগভান্ডার, দিয়াডাঙ্গা ও ধলডাঙ্গার বিজিবি (যথাক্রমে ৭, ৮ ও ১৯টি) মোট ৩৪টি গরু আটক করে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা। গত ৩ আগষ্ট বাগভান্ডা বিজিবি ক্যাম্পে ৬টি বড় গরু নিলামে বিক্রি করা হয় মাত্র ১ লক্ষ ২৭ হাজার টাকায়। অথচ সিন্ডিকেট ছাড়া ৫ আগষ্ট (রবিবার) বিকালে ধলডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পে ৭টি মাঝারী আকারের গরু নিলামে ভ্যাটসহ ৩ লক্ষ ১১ হাজার টাকায় বিক্রি করে। পরদিন সোমবার সকাল ১১টায় কোন প্রকার প্রচারণা ও জামানত ছাড়াই দিয়াডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পে সরকারী বিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিলামে ১৯টি গরুর মধ্যে ৯টি বড় গরু ভ্যাটসহ ২ লক্ষ ৬০ হাজার ২ শ ৯৫ টাকায় আলতাফ হোসেন বিএসসির নিকট বিক্রি করে। সিন্ডিকেট একই স্থানে হানিফ নামের এক ব্যক্তির নিকট ৯টি গরু বিক্রয় করে মাত্র ৪ লক্ষ ৫২ হাজার টাকায়। এই সিন্ডিকেটের কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। এ বিষয়ে জয়মনির হাট কাস্টমস শুল্ক গুদাম কর্মকর্তা নিহার রঞ্জনের বারুরীকে একাধিকবার কল করলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি