মঙ্গলবার ২০ নভেম্বর ২০১৮



লক্ষীপুরে রাস্তা দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ !


আলোকিত সময় :
10.07.2018

লক্ষীপুর প্রতিনিধি: 

লক্ষীপুর সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নে রাস্তার ওপর স্থায়ীভাবে বহুতল ভবন নিমার্ণ করছেন শিল্পপতি শামছুউদ্দিন সোহাগ নামের এক প্রভাবশালী। ফলে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন পথচারীদের দূর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রায় তিন বছর পূর্বে এ ভবন নিমার্ণ করেন বশিকপুর এলাকার ওয়াজ উদ্দিন ব্যাপারী বাড়ীর মৃত আবুল খায়েরের পুত্র। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ ভবনের জন্য পুরো ফুটপাতের ও পথচারীদের চলাচলের রাস্তায় ওপর পিলার নির্মাণ করা হয়েছে। ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা বাড়ানোয় রাস্তার ওপর পর্যন্ত চলে এসেছে। ফলে এ ফুটপাত ও পাকা রাস্তা স্থায়ীভাবে বেদখল হয়ে গেল। এতে পথচারীদের বাস, ট্রাক, সুজেকী, সিএনজি ও অটোরিকসা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে জনগণের দুভোর্গ পোড়াতে হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় এলাকাবাসী।
কয়েকজন পথচারী আজুজুর রহমান, শাহাজাহান ও নুরজাহান জানান, রাস্তায় ওপর পানির নলকুপ স্থাপন। পথচারীদের চলাচলের রাস্তা দখল করে বাড়ি নির্মাণ সম্পূর্ণ অবৈধ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পথচারী বলেন, শামচুদ্দিন সোহাগ বশিকপুর এলাকার ঢাকায় শিল্পপতি সে এ এলাকার নতুন কোটিপতি টাকার গরমের কারণে অনেকটা বেপরোয়া স্বভাবের লোক। কাউকে মানতে চান না। সোহাগ সরকারি রাস্তা অবৈধভাবে দখল করে বহুতল ভবন নিমার্ণ ও রাস্তার উপরে নলকুপ স্থাপন করেছ।
এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে শিল্পপতি শামছুউদ্দিন সোহাগ বলেন, আমার নিজের জায়গায় ভবন নির্মাণ করেছি। রাস্তায় আরো ১১সেন্টিমিটার জমি পাবো। ফুটপাত ও চলাচলের রাস্তা দখল করতে আমি চাই না। একটি কু-চক্র মহল এলাকার উন্নয়ন চাই না। এবং তারা আমার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত ষড়যন্ত্র করে আসছে।
বশিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান কাশেম জিহাদী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অনুমতি না নিয়ে শামছুউদ্দিন সোহাগ ভবনটি নির্মাণ করেছে। তখন আমি হজ্বে চিলাম। পরে আমি এসে তাকে বললে সে আমার কথা শুনেনি। তখন এ বিষয়ে সাবেক সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুজ্জামানকে অবগত করেছি। তিনি আরো বলেন ভবন নির্মাণ কারী ঢাকা থাকেন তিনি একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি গায়ের জোর খাটিয়ে রাস্তার উপর অবৈধ ভবনটি নিমার্ণ করেছেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাজাহান আলী বলেন, বিষয়টি কেউ আমাকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি