সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮



থাইল্যান্ডের গুহায় বাকি পাঁচজনকে উদ্ধারে অভিযান চলছে


আলোকিত সময় :
10.07.2018

আলোকিত নিউজ ডেস্ক :

থাইল্যান্ডের গুহায় আটকে পড়া শিশু ও তাদের কোচকে উদ্ধার অভিযান আজ (১০ জুলাই) মঙ্গলবার তৃতীয় দফায় আবার শুরু হয়েছে। গত দুইদিনের উদ্ধার অভিযানে মোট আটজনকে থাম লুয়াং গুহা থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনো সেখানে পাঁচজন আটকা পড়ে আছে। এদের মধ্য চারজন কিশোর ও তাদের কোচ রয়েছেন।

গতকাল সোমবার বের করে আনা চার কিশোর সুস্থ আছে এবং তারা শারিরিকভাবে বেশ চাঙ্গা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। তারা যেন সংক্রামিত না হয় সে জন্য ডাক্তাররা আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছেন।

চিয়াং রাই প্রদেশের গভর্ণর নেরংসাক ওসাতানাকর্ন জানান, মঙ্গলবার ১০ টা ৮ মিনিটে তৃতীয় দফায় উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। এ অভিযানে ১৯ জন ডাইভার অংশ নিচ্ছেন। বাকি চার কিশোরদের সাথে গুহায় থেকে যাওয়া একজন ডাক্তার ও থাই নৌবাহিনীর তিনজন সদস্যও বেরিয়ে আসবে বলে জানান তিনি।

ওসাতানাকর্ন সাংবাদিকদের বলেন, যদি কোন ধরণের সমস্যা না হয় তাহলে চার কিশোর ও তাদের কোচসহ একজন ডাক্তার ও তিন নৌবাহিনীর সদস্য আজই কিশোরদের উদ্ধার করে গুহা থেকে বেরিয়ে আসবেন।

তৃতীয় দফার উদ্ধার অভিযান পূর্বের দুই উদ্ধার অভিযান থেকেও বেশি সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

ওই গুহায় ঢোকার পর গত ২৩ জুন নিখোঁজ হয় ১২ খুদে ফুটবলার ও তাদের কোচ। ১২ কিশোরের বয়স ১১ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। আর তাদের সহকারী কোচ এক্কাপোল জানথাওংয়ের বয়স ২৫ বছর। তারা মু পা নামের একটি ফুটবল দলের সদস্য।

নয় দিন সেখানে আটকে থাকার পর ২ জুলাই ব্রিটিশ ডুবুরি রিচার্ড স্ট্যানটন ও জন ভলানথেন তাদের সন্ধান পান। অবস্থান জানার পর ১২ কিশোর ও তাদের কোচের জন্য গুহার ভেতরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ করার পাশাপাশি পাঠানো হয় খাবার ও চিকিৎসা সরঞ্জাম।

এক সাংবাদিক সম্মেলনে থাইল্যান্ডের গণস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি বলেন, গতকাল উদ্ধার চারজনকেও আগের দিনের মতো সরাসরি হাতপাতালে নেওয়া হয়। তারা সুস্থ আছে বলে জানিয়েছে ডাক্তারারা।

আগের দিন উদ্ধার করা চার কিশোরও হাসপাতালে সুস্থ হয়ে উঠছে। তারা গতকাল ফ্রায়েড রাইসসহ নিজেদের পছন্দের খাবার খেতে চায় বলে হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে প্রায় ১০ দিন না খেয়ে থাকায় পেটের অবস্থা চিন্তা করে তাদের সব ধরণের খাবার এখনই দেওয়া হচ্ছে না।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি