বৃহস্পতিবার ১৮ অক্টোবর ২০১৮



লক্ষীপুরে ডুবে গেছে কোটি টাকার ভাসমান ওয়ার্কশপ


আলোকিত সময় :
10.06.2018

লক্ষীপুর প্রতিনধি:
লক্ষীপুর-ভোলা রুটের বিআইডবিøউটিসির ৮০ বছরের পুরনো কোটি টাকা মূল্যের ভাসমান ওয়ার্কশপের তলা ফেটে পানিতে ডুবে গেছে। রবিবার (১০ জুন) দুপুর পর্যন্ত ওয়ার্কশপটি ডুবে আছে। তবে এটি উদ্ধারে কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। এরআগে বুধবার (৬ জুন) সকালে সদর উপজেলার মজু চৌধুরীর হাট ফেরিঘাট এলাকায় ওয়ার্কশপটি ডুবে যায়। ঘটনার সময় ওয়ার্কশপের সঙ্গে বেঁধে রাখা চারটি ট্রলার ও একটি স্পীড বোডও ডুবে গেছে। এতে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ওই ওয়ার্কশপের অবস্থানরত সাতজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এদিকে ডুবে যাওয়া ভাসমান ওয়ার্কশপ ও সরঞ্জাম উদ্ধারে কর্তৃপক্ষের তৎপরতা দেখা যায়নি। ঘটনাটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে দায় সারছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা যায়, লক্ষীপুর-ভোলা নৌ রুটের চলাচল করতে গিয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়া ফেরি ও লঞ্চ মেরামত করতে ভাসমান ওয়ার্কশপটি নিয়ে আসে বিআইডবিøউটিসি। কোটি টাকা মূল্যের ‘এফএম কামার হাটি ঘাটি’ নামে এ ওয়ার্কশপটি প্রায় দশ বছর আগ থেকে মজুচৌধুরীর হাট এলাকায় মেঘনা নদী সংযোগ খালের তীরে ভীড়িয়ে রাখা হয়। এটি পরিচালনার জন্য সাতজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। বুধবার সকালে ওয়ার্কশপটি ডুবে যাচ্ছে দেখে স্টাফরা চিৎকার দেয়। কিছু বুঝে উঠার আগেই তলা ফেটে ওয়ার্কশপটি পানিতে ডুবে যায়। এসময় জীবন বাঁচাতে স্টাফরা নদীতে ঝাঁপিয়ে প্রাণে রক্ষা পায়। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, ডুবে যাওয়া ওয়ার্কশপের ভেতরে কোটি টাকা মূল্যের সরঞ্জামাদি ছিল। এটি পরিকল্পিতভাবে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওয়ার্কশপটি উদ্ধারে কোন তৎপরতা চোখে পড়েনি। বিআইডবিøউটিসি ফেরি সার্ভিসের সহকারী ম্যানেজার শিহাব উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনার পর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ওয়ার্কশপটি উদ্ধারের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের রির্পোট অনুযাই ওয়ার্কশপটি উদ্ধার কাজ শুরু করা হবে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি