সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮



দোহারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাদ্যদ্রব্য


আলোকিত সময় :
10.06.2018

দোহার প্রতিনিধি :

পবিত্র মাহে রমজান মাস রহমত,মাগফিরাত ও নাজাতের মাস । মুসলিম উম্মহের সব থেকে গুরুপূর্ন মাস এটি ।যেখানে প্রত্যেক খাবারের প্রতি রয়েছে প্রশাসনের বিশেষ নজরদারি । কিন্তুু ঢাকা দোহারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার জন্য রমজান মাসকে উদ্দেশ্য করে চালান তাদের ব্যবসায় কার্যক্রম।তারা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করছে রুটি,কেক, বিস্কুট, স্যামাই মতো নিত্য প্রযোজনীয় খাদ্যদ্রব্য ।অধিকাংশ মুদির দোকান ,ও ফাসফোটে চলে তাদের ভেজালকৃত খাদ্রদ্রব্য ।দোহারে বিভিন্ন স্থানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাদ্রদ্রব্য । বিশেষ করে লটাখোলা নতুন বাজার কামারের দোকান সংলগ্ন মায়ের দোয়া বেকারিতে বিএসটিআই অনুমোদন ও ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই চলছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রুটি,কেক, বিস্কুট তৈরির কাজ ।গতকাল শনিবার মায়ের দোয়া বেকারি পরিদর্শনকালে  ধরা পড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রুটি ,কেক, ডেনিজ বানানোর দৃশ্য ।মেয়াদ উত্তীর্ণ পাউডার, রাসায়নিক ,ক্যামিকেল জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করছেন খাবার তৈরিতে ।যা মান দেহের জন্য চরম হুমকি বয়ে আনছে । ভেজাল খাবার খেলে মানব দেহে বিভিন্ন রোগ বাসা বাধবে অচিরে ।এতে বধহযম,গ্যাসট্রিক ও হার্ট ব্লক হওয়ার ঝুকি রয়েছে ।
এবিষয়ে বেকারি মালিক জামাল জানান,আমি বেকারি কাগজ করতে দিয়েছি কিন্তু এখনো হাতে পাইনি ।অথচ গতবছরও মায়ের দোয়া বেকারি অনুমোদন না থাকায় তৎকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আলামীন এর আদালতে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করেন ।কিন্তুু এবছর ২২ রমজান শেষ হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভেজাল খাদ্র বন্ধে কোন প্রকার উদ্যোগ চোখে পড়ছে না । যার ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছে মতো ব্যবসায় করে যাচ্ছে ।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেøে ডা:জসিম উদ্দিন বলেন ভেজাল বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি করলে ,সেগুলো মানুষ যদি খেয়ে থাকে তাহলে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রন্ত হতে পারে ।
এবিষয়ে দোহার উপজেলা সহকারি ভূমি (কমিশনার) সালমা খাতুন  জানান, অচিরে অবৈধ বেকারিগুলোকে আইনের আওতায় আনা হবে ।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি