শনিবার ২৩ জুন ২০১৮



কুলাউড়ায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ!


আলোকিত সময় :
10.06.2018

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : 

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের মেম্বার আব্দুল মালিক ফজলু বিরুদ্ধে রাস্থার ১৭ হাজার ইট বাড়িতে তুলে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুলাউড়া থানা পুলিশ ইটগুলো জব্দ করেছে। তবে অভিযুক্ত আব্দুল মালিকের দাবি অন্য একটি রাস্থায় কাজ করতে নির্দেশ দেয়ায় ইটগুলো তুলে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের লংলা থেকে বেজাবন্দ পর্যন্ত রাস্থার প্রায় ১৭ হাজার ইট তুলে নিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল মালিক ফজলু। ইটগুলো উত্তোলন করে তিনি তার বাড়িতে নিয়ে যান।
স্থানীয় বাসিন্দা শামীম মিয়া, শহিদ মিয়াসহ অনেকেই জানান, মেম্বারে উদ্দেশ্য যদি ভালো হতো তাহলে তিনি ইটগুলো তুলে তার বাড়িতে নিতেন না। বিষয়টি তারা তাৎক্ষণিকভাবে কুলাউড়ার ইউএনওকে অবহিত করেন।
পরে ইউএনও’র নির্দেশে কুলাউড়া থানার এসআই খসরুল আলম বাদল ঘটনাস্থলে যান এবং ইটগুলো জব্দ করেন। মেম্বার ফজলুর বাড়িতে এখনও অনেক ইট আছে বলে অভিযোগকারীরা জানান
অভিযুক্ত আব্দুল মালিক ফজলু জানান, ২০১৪-১৫ সালে ১ লাখ টাকা এবং ২০১৫-১৬ সালে ২ লাখ টাকায় ইটসোলিং করা হয়। বর্তমানে এক কিলোমিটার রাস্থা পাকাকরণের অনুমোদন দেয়া হয়। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এই ইট দিয়ে একই ওয়ার্ডের অন্য একটি রাস্থায় কাজ করানো জন্য বলেন।
টিলাগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মালিক জানান, আগে ইট সোলিং করা হয়। বর্তমানে রাস্থাটি পাকাকরণের জন্য টেন্ডার হলে, ইটগুলো তুলা হয়েছে অন্য রাস্থায় ব্যবহারের জন্য। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ইটগুলো আবার ফজলু মেম্বারের জিম্মায় রেখে এসেছেন। ইটগুলো অন্য রাস্থায় কাজে লাগানোর জন্য ইউএনওর কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
কুলাউড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম মূসা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে বৈদ্যশাসন লাকার আবিদ আলী বাড়িতে আড়াই ৩ হাজার ইট এবং গফুর মিয়ার বাড়িতে গিয়ে আধলা সাড়ে ৪-৫ শত ইট পাই।
কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌ. মো. গোলাম রাব্বি জানান, স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি পুলিশ পাঠিয়ে ইটগুলো জব্দ করাই। এলাকাবাসীর অভিযোগ এখানে মোট ১৭ হাজার ইট হবে। তবে জব্দ করা ইটের পরিমান ৫-৬ হাজার হবে। বিষয়টি তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবো।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি