বৃহস্পতিবার ১৬ অগাস্ট ২০১৮



বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে “ব্লু ওয়াইল্ড বিস্ট” এর তিন ছানা


আলোকিত সময় :
04.06.2018

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:-

গাজীপুরের শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে তিনটি “ওয়াইল্ড বিস্ট” রোববার তিনটি ছানা প্রসব করেছে। এই প্রথম এ পার্কে কোন  ওয়াইল্ড বিস্ট ছানা প্রসব করল। এনিয়ে এ পার্কে এ পরিবারের সদস্য সংখ্যা হলো ১৩। ইতোপূর্বে ওই পরিবারে ৪টি পুরুষ ও ৬টি মাদি ওয়াইল্ড বিস্ট ছিল।

পার্কের ওয়াইল্ড লাইফ সুপারভাইজার মো. সরোয়ার হোসেন খান বলেন, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৫সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এ পার্কে পূর্ণবয়স্ক ১১টি  ওয়াইল্ড বিস্ট আনা হয়। তাদের মধ্যে একটি বিস্ট রোগে ভুগে মারা গিয়েছিল। এ প্রাণিগুলো আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দেশগুলোতে প্রাকৃতিক পরিবেশে বিচরণ করতে দেখা যায়। এরা তৃণভূমিতে এক সঙ্গে পালে চলাফেরা করে থাকে। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে (বর্ষা মৌসুমের শেষদিকে) তারা প্রজনন করে এবং সাড়ে ৮মাস পর তারা বাচ্চা প্রসব করে। প্রতিটি বাচ্চার ওজন হয় সাধারণত ১৯ কেজির মত। প্রথমে বাচ্চাদের গায়ের রং ধূসর (টনি ব্রাউন) এবং পূর্ণ বয়স্ক হলে তার বর্ণ হয় নীলাভ ধূসর। প্রতিবার এরা সাধারণত একটি করে বাচ্চা প্রসব করে থাকে। আট মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত এরা মায়ের সঙ্গে থাকে ও দুধ পান করে। এক সপ্তাহ পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘাস খেতে চেষ্টা করে। পরে তারা স্বাধীণভাবে বিচরণ করে থাকে। এরা ছোট ঘাস ক্ষেতে বেশি পছন্দ করে। পুরুষ বাচ্চারা দুই বছর এবং মাদি বাচ্চারা ১৬মাসে প্রজননক্ষম হয়। প্রকৃতিক পরিবেশে বøু বিস্ট ২০বছর এবং আবদ্ধ পরিবেশে ২৪বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

তিনি আরো বলেন, প্রসবের কয়েক মিনিট পর বাচ্চা ওঠে দাঁড়ায় এবং দৌঁড়াতে শুরু করে। বাচ্চারা এখন আফ্রিকান সাফারিতে মায়েদের সঙ্গে সঙ্গে খেলা করে বেড়াচ্ছে, দৌঁড়াচ্ছে। বাচ্চা তিনটি মাদি না পুরুষ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। মানুষ দেখলে তারা নিরাপদ দূরত্বে সরে যাচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে কাউকে তাদের কাছে যেতেও দেয়া হচ্ছে না।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি