মঙ্গলবার ১৬ অক্টোবর ২০১৮



অমিতাভ বচ্চন বললেন, ‘জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি আমার কাছে তীর্থস্থান’


আলোকিত সময় :
08.05.2018

‘কবিগুরুর জন্মদিনে কলকাতার ঠাকুরবাড়ির সেই স্মৃতিগুলো মনে আবারও উঁকি দিচ্ছে। জাতীয় সংগীতের একটি অংশের শুটিংয়ের জন্য জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে গিয়েছিলাম। কবিগুরুর সেই বসতভিটা ঠাকুরবাড়ি আমার কাছে পবিত্র তীর্থস্থানের মতো। সেখানে শুটিং করা আমার কাছে ছিল পরম সৌভাগ্যের।’ ব্লগে লিখেছেন বরেণ্য বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চন। আজ পঁচিশে বৈশাখ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম জন্মদিন। এ উপলক্ষে কবিগুরুর প্রতি গতকাল সোমবার শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন তিনি।

সাহিত্য আর সমাজে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদানের কথা উল্লেখ করে অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন, ‘তিনি কতটা প্রতিভাবান ছিলেন, তা নিয়ে আলোচনা অমূলক। শিল্প আর সাহিত্যে তাঁর অবদান আমার কাছে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। তাঁর ভাবনা, দর্শন আর কৃষ্টি আজও প্রাসঙ্গিক। কোনো দিন এই প্রাসঙ্গিকতা হারাবে না।’

বচ্চন আরও লিখেছেন, ‘ঠাকুরবাড়ির সেই দরজা এবং ঘরগুলো দিয়ে হাঁটলে মনের মাঝে অন্য এক অনুভূতি হয়। মনে হয়, সেই মানুষটি কোনো দিন এই বাড়িতে বসে বিশ্ব জয় করেছিলেন।’

জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি। ছবি: ভাস্কর মুখার্জি

জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি। ছবি: ভাস্কর মুখার্জি

অমিতাভ বচ্চন মনে করেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবনের অঙ্গ। সুযোগ পেলে আবারও রবীন্দ্রসংগীত গাইবেন তিনি। তিনি লিখেছেন, ‘কী করে একজন ব্যক্তি এভাবে ভাবতে পারেন? কী করে কেউ লেখার জগতে এতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারেন? সংগীতে এতটা জ্ঞান কীভাবে সম্ভব? শুধু তা-ই নয়, ছবি আঁকাতেও তিনি ছিলেন সাবলীল। কিংবদন্তি বললে হয়তো কম বলা হয়। তাঁর হাত ধরেই শান্তিনিকেতন তৈরি হয়েছিল।’

অমিতাভ বচ্চন হিন্দিভাষী, তবু বাংলার প্রতি রয়েছে তাঁর অগাধ টান। তাঁর স্ত্রী জয়া বচ্চন বাঙালি, কলকাতার মানুষ। তাই তো তিনি কলকাতায় ছুটে আসেন বারবার। গেয়েছেন রবীন্দ্রসংগীতও।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি