সোমবার ১৮ জুন ২০১৮



বিরোধীদের প্রতি নমনীয় ক্ষমতাসীন দল


আলোকিত সময় :
19.02.2018

ইয়াছিন রনি : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও প্রচারণায় ব্যস্ত সবকটি রাজনৈতিক দল। দশম জাতীয় সংসদের মতো ‘সমালোচিত’ বা ‘বিতর্কিত’ কোনো নির্বাচন চাইছেন না ক্ষমতাসীনরাও । ইতোমধ্যে নির্বাচনের জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে ক্ষমতাসীন আ’লীগ। প্রচারণার অংশ হিসেবে বিভাগীয় পর্যায়ে জনসভা করছেন আ’লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও বিরোধী রাজনৈতিক মত, পথ ও বক্তব্যে সহিষ্ণু হওয়ার কৌশল নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

অপরদিকে সংসদের বাহিরে থাকা দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বর্তমানে ব্যস্ত দলীয় চেয়ারপার্ষনের মুক্তির দাবীতে বিভিন্ন কর্মসুচিতে। দলীয় চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি অহিংস আন্দোলন চালিয়ে আসছে দলটি । এবং সরকারের কোনো ফাঁদে পা না দিয়ে চেয়ারপারসনসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি তাদের এ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

এদিকে ১০ম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি সরকারের মৃদু সমালোচনা করলেও ক্ষমতাসীন আ’লীগের আস্থাভাজন হিসেবেই থাকতে চান। আবারো আ’লীগের কাঁধে ভর দিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চায় দলটি।

সূত্রে জানা যায়, বর্তমান ক্ষমতাসীন আ’লীগ গত দশম জাতীয় সংসদের মতো কোন ‘সমালোচিত’ বা ‘বিতর্কিত’ নির্বাচন চাইছেন না। তাই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের স্বার্থে বিরোধীদের রাজনৈতিক কর্মসূচি ও বক্তব্যের বিপরীতে ‘কঠোর’ আচরণ থেকে সরে আসছে আ’লীগ এমনটাই মনে করছেন অনেকে। চলতি নির্বাচনী বছরে বিরোধী শক্তিকে ‘স্পেস’ তৈরি করে দিয়ে আস্থায় নেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। বিরোধী রাজনৈতিক মত, পথ ও বক্তব্যে সহিষ্ণু হওয়ার কৌশলও গ্রহন করেছে দলটি। বিশেষ করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রায় এবং রায়-পরবর্তী ঘটনা থেকে সরকার বিশেষ লাভবান হয়নি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আদালতে হাজির থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন মামলার রায় গ্রহণ করায় এবং রায় পরবর্তী কোনো ধরনের কঠোর কর্মসূচি না দিতে নির্দেশ দেওয়ায় খালেদা জিয়া উল্টো সহানুভ‚তি পেয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকেই । বিএনপিও নানাভাবে প্রচার করেছে, সরকার খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই দুর্নীতির মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে কারারুদ্ধ করেছে। এ ক্ষেত্রে সরকার বা ক্ষমতাসীনরা আদালতকে ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তারা। তবে আওয়ামী লীগ এ পরিস্থিতিতে সতর্ক অবস্থানে চলে গেছেন বলে মনে করছেন রাজনীতিসংশ্লিষ্টরা । খালেদা জিয়ার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের কঠোর কর্মসূচি না দিয়ে বিএনপি নতুন কী ‘ঘোঁট’ পাকাচ্ছে সেদিকেই নজর রাখছে সরকার।

বিএনপির ব্যাপারে সরকারের এ হার্ডলাইন প্রশ্ন জনমতে, কি বিএনপিকে ভাঙতে চাইছে সরকার? খালেদা-তারেককে মাইনাস করে বা বিএনপিকে বাদ দিয়েই কি আগামী নির্বাচনের আয়োজন চলছে ? এমন প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি একটা বড় দল। আগামী নির্বাচনে অবশ্যই অংশ নেবে দলটি। তাছাড়া বিএনপিকে ভাঙার কোন চেষ্টা সরকার বা আ’লীগ করছেন না। বিএনপি ভাঙার জন্য বিএনপি নিজেরাই দায়ী। বিএনপির অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক সংকট ঘনীভ‚ত করার জন্য তারেক জিয়াই যথেষ্ট।’

খালেদা জিয়ার মামলা সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, আদালতের আদেশে তিনি দণ্ডিত হয়েছেন এবং জেলে গিয়েছেন। খালেদা জিয়া যখন আপিল করবেন, আপিলের বিচারে তাকে মুক্তি দেওয়া যায় কি না, সেটা আদালত বিবেচনা করতে পারেন। এখানে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করেনি, এমনকি ভবিষ্যতেও করবে না।
আওয়ামী লীগ নেতাদের এসব বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিএনপির ব্যাপরে সরকারের অবস্থান অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বিএনপি বা অন্য বিরোধী কর্মসূচি ও মত প্রকাশকে ‘দমানোর’ চেষ্টা করে সরকার বা ক্ষমতাসীনরা লাভবান হওয়ার চাইতে ক্ষতিগ্রস্তই বেশি হবেন।

সরকার যদি ‘বিরোধীদের’ দমনের কৌশলেই অনড় থাকে তাতে আগামী নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হবে। সব দলের অংশগ্রহণের মতো পরিবেশ না থাকলে নির্বাচন ফের একতরফা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সেটা শেষ বেলায় আওয়ামী লীগের জন্য ‘স্বাস্থ্যকর’ হবে না। বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে গিয়ে উল্টো আওয়ামী লীগের অস্তিত্বই ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

গত ২ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মো. আবদুল হামিদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা মন্তব্য করেছেন, বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘বিএনপি একটা বড় দল। তাদের ছাড়া সব দলের অংশগ্রহণ হয় কী করে? বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না।’

সিইসির এ বক্তব্যের মধ্য দিয়েও সরকারের অবস্থান পরিষ্কার হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগ চাইছে একটা অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন। গতবার বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বড় ধরনের ভুল করেছে এটা যেমন বিএনপি বুঝতে পেরেছে, তেমনি বিএনপি ছাড়া নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতারোহণ আওয়ামী লীগের জন্যও বিব্রতকর বলে মেনে নিয়েছেন আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই। তাই বিএনপিকে যথাসম্ভব আর না ঘাঁটিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে একটি ‘আস্থা’র পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। শুধু বিএনপিই নয়, অপরাপর বিরোধী মতের রাজনৈতিক দলগুলোকেও এ পরিবেশের জন্য উৎসাহিত করতে চায় দলটি। এজন্য খালেদার রায়ের পর গত কয়েকদিন সরকার বিএনপিকে তাদের প্রতিক্রিয়ামূলক নানা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনে সহযোগিতা করেছে। এমনকি ‘হার্ডলাইন’ থেকেও সরে এসেছে সরকার।

তবে বিএনপির ‘শান্তিপূর্ণ’ কর্মসূচি যে কোনো সময় ‘সহিংস’ কর্মসূচিতে রূপ নিতে পারে এ শঙ্কাকে উড়িয়ে দিচ্ছে না ক্ষমতাসীনরা। বিএনপি যেমন এই সময়ে মামলা-গ্রেপ্তারের কৌশল এড়িয়ে আগামী নির্বাচনের জন্য শক্তি সংরক্ষণ ও সঞ্চয়ের কৌশল নিয়েছে তেমনি আওয়ামী লীগও আগামী নির্বাচনের পূর্বে রাজনৈতিক শক্তি-সামর্থ্য প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একইসঙ্গে দল এবং সরকারকে মানুষের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য করে তুলতে ইতোমধ্যেই শুদ্ধি অভিযানে নেমেছে তারা। এ শুদ্ধি অভিযান চলছে সরকার, ক্ষমতাসীন মহাজোট এবং আওয়ামী লীগের সর্বত্র। বিশেষ করে সরকার, দল ও জোটের বিতর্কিত, সমালোচিত, দায়িত্বে ব্যর্থ লোকজনকে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত যোগ্য লোকজনকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি সরকারের মন্ত্রিসভায় এরকম রদবদল হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সরকারের শরিকদেরও এ বার্তা দিচ্ছে- সরকারের জনপ্রিয়তা অক্ষুন্ন রাখতে এবং ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে যে কোনো সিদ্ধান্তই কঠোরভাবে নেবেন শেখ হাসিনা।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া গত ৮ ফেব্র“য়ারি কারাগারে যাওয়ার পর শান্তিপূর্ণভাবে টানা আন্দোলন-কর্মসূচি পালন করে আসছেন দলের নেতাকর্মীরা। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত কোনো সহিংসতায় জড়াননি। কেননা, খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে নেতাকর্মীদের সহিংস কর্মসূচিতে না জড়াতে বলেছেন। বিএনপি সরকারের কোনো ফাঁদে পা না দিয়ে দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের নেতাকর্মীরা কারাগার থেকে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত চলমান শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন চালিয়ে যাবে বিএনপি। হরতালের মতো সহিংস কোনো কর্মসূচি এখনই দেওয়ার পরিকল্পনা নেই দলটিরর। তাছাড়া বিএনপি নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করার জন্য জনগণকে নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখবে এমনটাই বলেছেন বিএনপির শীর্ষ কয়েকজন নেতা।

খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর বিএনপির পক্ষ থেকে বিদেশি গণমাধ্যমকে আলাদাভাবে প্রেসব্রিফিং করা হয়। এসময় দলে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তাদের আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ, হরতালের মতো কর্মসূচি তারা দেবেন না।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের এই লড়াই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করে নিয়ে আসার লড়াই, এ লড়াই আমাদের নেতাকর্মীদের মুক্ত করার লড়াই। এ লড়াই বাংলাদেশের মানুষকে মুক্ত করার লড়াই, গণতন্ত্রকে মুক্ত করার লড়াই। গণতন্ত্রকে মুক্ত করার আগ পর্যন্ত এ লড়াই চলবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকারি দল চেয়েছিল খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপি সহিংস হয়ে উঠুক। বিএনপির নেতাকর্মীরা গাড়ি ভাঙচুর করুক। আর গাড়ি ভাঙচুর করলেই এ সুযোগে আওয়ামী লীগের লোকজন গাড়িতে আগুন দিয়ে, মানুষ মেরে বিএনপির ওপর চাপাবে। এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে সরকার ধরপাকড় শুরু করবে। কিন্তু বিএনপি সহিংস না হওয়ায় সরকার হতাশ।
আগামি নির্ভাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারে অধীনে নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। তবে দলের চেয়ারপারসনকে ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে আর কোনো নির্বাচন হবে না, হতে দেওয়া হবে না। তাকে ছাড়া আমরা কোনো নির্বাচনেই অংশগ্রহণ করব না। তবে তাদের আশা খালেদা জিয়া শিগগিরই মুক্তি পাবেন এবং তার নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে।

অপরদিকে দশম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরাধী দল এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি সরকারের মৃদু সমালোচনা করলেও ক্ষমতাসীন আ’লীগের আস্থাভাজন হিসেবেই থাকতে চান। আবারও আ’লীগের কাঁধে ভর দিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চায় দলটি। আওয়ামী লীগও এরশাদকে কিছুটা সমালোচনার ‘স্পেস’ দিতে চায়। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে এরশাদের জাতীয় পার্টির এ রসায়ন গত কয়েক বছরে বেশ মজবুত হয়েছে। এরশাদ চান আগামী নির্বাচন পর্যন্ত এটা টিকিয়ে রাখতে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুরূপী ও ঝোপ বুঝে কোপ মারা রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত এরশাদ। তাই যেকোনভাবে ক্ষমতাসীনদের আস্থাভাজন হয়ে আমৃত্যু ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকতে চান তিনি। নব্বইয়ের মহাপতনের পর বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগ থেকেই সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছেন সাবেক এ স্বৈরশাসক । বিএনপি আমলেই তিনি কাটিয়েছিলেন কারাবন্দি জীবন। আর আওয়ামী লীগ আমলে তিনি ক্ষমতার দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার। ফলে এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগই তার সবচেয়ে বড় মিত্র। ইতোমধ্যে এরশাদের বেশ কিছু বক্তৃতায় সেটা অনেকটা স্পষ্ট হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তিনি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ক্রমাগত উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার ওপর যে নির্যাতন করা হয়েছিল, তার একশ ভাগের এক ভাগও খালেদা জিয়ার ওপর করা হয়নি।’ বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, ‘যারা জাতীয় পার্টির ধ্বংস চেয়েছিল তারাই আজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ইতিহাসের আঁস্তাকুরে নিক্ষিপ্ত হচ্ছে।

মূলত ক্ষমতা সহায়ক যে কোনো পরিস্থিতিতেই এরশাদ ও জাতীয় পার্টি কৌশলে অবিচল। আওয়ামী লীগের টানা ৯ বছরের ক্ষমতাকালে মহাজোট যে শক্তপোক্ত ক্ষমতার বলয় তৈরি করেছে সে বলয় থেকে বিচ্যুত হতে চান না এরশাদ। বরং এ বলয়কে আরও সুসংহত করার পক্ষেই রয়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্লেষকরা একেই এরশাদের দলের জন্য ইতিবাচক গুণ হিসেবে দেখছেন। ।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি