শনিবার ২০ অক্টোবর ২০১৮



বিএনপি নেতাদের হামলায় আশংকা জনক অবস্থায় শ্রমিকলীগ নেতা হাসাপাতালে


আলোকিত সময় :
21.01.2018

তুরাগ প্রতিনিধি

রাজধানীর তুরাগে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিএনপির নেতাদের হামলায় তুরাগ থানা শ্রমিকলীগের নেতা মোঃ সামছুল হক গুরুত্বও আহত অবস্থায় উত্তরার নুবানা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বর্তমানে তার শরিরের অবস্থা বেশ একটা ভালো না। শ্রমিকলীগের নেতা সামছুল হকের ছোট ভাই শাহজাহান প্রতিবেদককে জানান, ঘটনার পর থেকে এই পর্যন্ত পুলিশ আমাদের আইনি কোন সহায়তা করেননি এসআই মিজান হাসপাতালে আসলেও। পরে আর কিছুই বলেননি। তিনি আরো বলেন ঘটনার পর দিন দিবাগত রাত সাড়ে ৮ টার দিকে আমরা তুরাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করি মামলা নং-২২। তিনি আরো জানান আমরা মনে করছি পুলিশ বর্তমানে আসামী পক্ষের নিকট টাকা খেয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। এবং আমাদেও নামে কাউন্টার মামলা করার কথা বলছেন। তাই পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের আটক করছেন না।
জানা যায়, রাজধানীর তুরাগের দিয়াবাড়ি পুলিশ ফাড়ির পাশে উলুদাহা নামক এলাকায় একটি চায়ের দোকানে মসজিদ কমিটির পদ নিয়ে আলাপ চারিতার এক পর্যায়ে একটি তুচ্ছো ঘটনাকে কেন্দ্র করে রায়হান এবং অলির ভিতরে প্রথমে হাতা হাতি এবং পরে দেশিও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় অলি গ্রæপের লোকজন। হাতা হাতির এক পর্যয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে শ্রমিকলীগের নেতা সামছুল হক ঘটনা স্থলে পৌছালে তাকে দেখা মাত্র তার উপর দালালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় সামছুল হক দৌড়ে পালাতে চাইলে অলি গ্রæপের অলি সামছুলকে লক্ষ করে তিন রাউন্ড গুলি করে। সামছুলের আত্ম চিৎকারে আশে পাশের লোক জনবাড়ি থেকে বেড় হলে এসকান্দর, হোসেন, আব্দুল রশিদ, আলআমিন,সজিব এবং রহিম দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর দিয়াবাড়ি পুলিশ ফাড়ির এএসআই জব্বার ঘটনা স্থলে পৌছে আহত সামছুলকে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে এলাকায় জুড়ে আতংক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে তুরাগ থানা অপারেশন তদন্ত দুলাল হোসেন জানান, তুরাগ থানা শ্রমিকলীগের সভাপতি সামছুল হকের পক্ষ থেকে মামলা নেয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য এসআই মিজানকে দায়িত্ব দিয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার কথা বলা হয়েছে।
তুরাগে বিএনপি নেতাদের হামলায়
আশংকা জনক অবস্থায় শ্রমিকলীগের নেতা হাসাপাতালে
রাসেল খান, তুরাগ প্রতিনিধি
রাজধানীর তুরাগে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিএনপির নেতাদের হামলায় তুরাগ থানা শ্রমিকলীগের নেতা মোঃ সামছুল হক গুরুত্বও আহত অবস্থায় উত্তরার নুবানা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বর্তমানে তার শরিরের অবস্থা বেশ একটা ভালো না। শ্রমিকলীগের নেতা সামছুল হকের ছোট ভাই শাহজাহান প্রতিবেদককে জানান, ঘটনার পর থেকে এই পর্যন্ত পুলিশ আমাদের আইনি কোন সহায়তা করেননি এসআই মিজান হাসপাতালে আসলেও। পরে আর কিছুই বলেননি। তিনি আরো বলেন ঘটনার পর দিন দিবাগত রাত সাড়ে ৮ টার দিকে আমরা তুরাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করি মামলা নং-২২। তিনি আরো জানান আমরা মনে করছি পুলিশ বর্তমানে আসামী পক্ষের নিকট টাকা খেয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। এবং আমাদেও নামে কাউন্টার মামলা করার কথা বলছেন। তাই পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের আটক করছেন না।
জানা যায়, রাজধানীর তুরাগের দিয়াবাড়ি পুলিশ ফাড়ির পাশে উলুদাহা নামক এলাকায় একটি চায়ের দোকানে মসজিদ কমিটির পদ নিয়ে আলাপ চারিতার এক পর্যায়ে একটি তুচ্ছো ঘটনাকে কেন্দ্র করে রায়হান এবং অলির ভিতরে প্রথমে হাতা হাতি এবং পরে দেশিও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় অলি গ্রæপের লোকজন। হাতা হাতির এক পর্যয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে শ্রমিকলীগের নেতা সামছুল হক ঘটনা স্থলে পৌছালে তাকে দেখা মাত্র তার উপর দালালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় সামছুল হক দৌড়ে পালাতে চাইলে অলি গ্রæপের অলি সামছুলকে লক্ষ করে তিন রাউন্ড গুলি করে। সামছুলের আত্ম চিৎকারে আশে পাশের লোক জনবাড়ি থেকে বেড় হলে এসকান্দর, হোসেন, আব্দুল রশিদ, আলআমিন,সজিব এবং রহিম দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর দিয়াবাড়ি পুলিশ ফাড়ির এএসআই জব্বার ঘটনা স্থলে পৌছে আহত সামছুলকে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে এলাকায় জুড়ে আতংক বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে তুরাগ থানা অপারেশন তদন্ত দুলাল হোসেন জানান, তুরাগ থানা শ্রমিকলীগের সভাপতি সামছুল হকের পক্ষ থেকে মামলা নেয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য এসআই মিজানকে দায়িত্ব দিয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার কথা বলা হয়েছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি