মঙ্গলবার ১৬ অক্টোবর ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » ইন্টারভিউ » মিডিয়া চুপ ছিল, রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে ছিলাম: শেখ সোহেল রানা টিপু



মিডিয়া চুপ ছিল, রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে ছিলাম: শেখ সোহেল রানা টিপু


আলোকিত সময় :
30.07.2017

আওয়ামী লীগ সভা নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে জনপ্রিয় নেতাদের মনোনয়ন দিতে জরিপের মাধ্যমে সমালোচিত সাংসদদের বাদ দেওয়ার ঘোষণা আসার পর থেকে উজ্জিবিত হয়ে উঠেছেন সাবেক ছাত্রনেতারা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সারা দেশ থেকে উঠে এসেছে বেশ কয়েকজন ছাত্রনেতার নাম। সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রার্থী এমন সাবেক ছাত্রনেতাদের সাক্ষাৎকার পর্বে এবার থাকছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু’র একান্ত সাক্ষাৎকার।

শেখ সোহেল রানা টিপু ২০০৬ সালের এপ্রিল মাসে ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব নেন। ১/১১ সময়কালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে তিনি মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। দলীয় প্রধানকে ছাড়া সংসদ নির্বাচন করার ষড়যন্ত্রের রিরুদ্ধে ছিলেন সোচ্চার। দল ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালের জুলাই মাসে নাম লেখান সাবেকের খাতায়। পরে স্বেচ্ছোয় যোগ দেন স্বেচ্ছাসেবক লীগে। বর্তমানে তিনি সেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজবাড়িতে জন্ম নেয়া শেখ সোহেল রানা টিপু পেশা হিসেবে বেঁছে নিয়েছেন ব্যবসা। এবছর তিনি নৌকা প্রতীকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী (পাংশা-কালুখালি-বালিয়াকান্দি)-২ আসন থেকে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাইফুল ইসলাম খান-

প্রশ্ন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাকালীন আপনার স্মৃতিগুলো শুনতে চাই?

শেখ হোসেল রানা টিপু: বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার আগে আমি ২০০২ সালে কবি জসিম উদ্দিন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। সে সময় আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকায় আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আমাদের দিন কেটেছে। এরপর ২০০৬ সালে আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পাই, তখন বিএনপির শাসনামলের শেষ দিক এবং ১/১১ শুরু হওয়ার পূর্ব মহূর্ত। সে সময় বিএনপি চাচ্ছিল ইয়াজউদ্দিনকে তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বানাতে। আমরা সরাসরি ইয়াজউদ্দিনের পদত্যাগের দাবীতে রাজপথে নেমেছিলাম।

এরপর আসলো ১/১১। ছাত্রলীগের সেক্রেটারি রোটন ভাইসহ পাঁচ জন নেতাকে গ্রেফতার করা হয় এবং মাননীয় প্রধানমান্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলা প্রত্যাহার এবং নেত্রীর মুক্তির দাবিতে সর্বপ্রথম ওই দিন সকালেই আমরা প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের ব্যানারে আন্দোলনে নেমেছিলাম। সে সময় মিডিয়াও চুপ ছিল, ভয়ে কেউ কথাই বলার সাহস পেত না। রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আমরা আন্দোলন করেছি। এই আন্দোলনের ফসল হিসেবেই নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় এসেছে। কেননা, নেত্রীর কারা মুক্তি না হলে দেশের ইতিহাসে আবার অন্ধকার নেমে আসত। তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সেই আন্দোলন সব মহলে ছড়িয়ে গিয়েছিল। যার ধারাবাহিকতায় আজ দল ক্ষমতায়।

প্রশ্ন: ১/১১ এর সময়কালে নেত্রীমুক্তি আন্দোলনে আপনার কি ভূমিকা ছিল?

শেখ হোসেল রানা টিপু: সেনা সমর্থিত ১/১১ সময়কালীন ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ই জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। বেশ কয়েকটি মামলার অভিযোগ দিয়ে প্রায় ১১ মাস কারাবন্দি রাখা হয়েছিল তাঁকে। কারাগারে থাকাকালীন নেত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে নেত্রীমুক্তি আন্দোলনের ডাক দিলে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন ক্রমাগত তত্বাবধায়ক সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে ২০০৮ সালের ১১ই জুন উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ৮ সপ্তাহের জন্য সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তি পেয়েই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আপা আমেরিকায় যান। সে সময় দেশে ষড়যন্ত্র চলছিল এবং বলা হচ্ছিল শেখ হাসিনাকে আর দেশে ফিরতে দেয়া হবে না। নেত্রীকে দেশে ফিরতে দেয়া হবে না এ ঘোষণার প্রতিবাদে আমরা সর্বপ্রথম শাহবাগে একটি বিক্ষোভ মিছিল করি এবং নেত্রীকে দেশে আসার সুযোগ দেয়ার দাবী জানাই। আমাদের আন্দোলন থামানোর জন্য আমিসহ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের নামে মিথ্যে মামলা দায়ের করা হয়।

আর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন আমাদের নেত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় আমরা তার কুশপুত্তলিকা দাহ করি এবং প্রতিবাদ জানাই। এই অপরাধের জন্য আমিসহ ২০-২৫ জনের নামে আরও একটি মামলা দেয়া হয় নিউমার্কেট থানায়! একাধিক মামলার আসামী হয়ে গ্রেফতার আতঙ্ক মাথায় নিয়ে আমরা নেত্রীর মুক্তি চেয়েছি আর তাকে ছাড়া জাতীয় নির্বাচন করবো না। করবো না তো করবোইনা, এ ধরনের কাজ বাংলাদেশের মাটিতে হতে দেব না।

আমাদের আন্দোলনের চাপে ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর নেত্রী দেশে ফিরলে তাকে স্থায়ী জামিন দেওয়া হয়। পরে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের মাধ্যমে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দল সরকার গঠন করে।

প্রশ্ন:২৩ আগষ্টকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কালো দিবস বলা হয়। সেই সময় ক্যাম্পাসে কি ঘটেছিল?

শেখ হোসেল রানা টিপু: ২০০৭ সালের ২০ আগস্ট বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ছাত্রদের মধ্যে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে উপস্থিত ছাত্র ও সেনা সদস্যদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। খেলার মাঠেই শিক্ষার্থীদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালায় সেনাবাহিনী। এর প্রতিবাদ জানালে লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম স্যারকে সেনাসদস্যরা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

পরদিন ২১ আগস্ট নির্যাতনের প্রতিবাদে ও সেনা সদস্যদের ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে রাস্তায় নেমে আসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষার্থী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক সবাই এ আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। এ আন্দোলনেও আমরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছি। পুলিশের টিয়ারশেল ও রাবার বুলেটে আহত হয়েছিল শত শত ছাত্র। সেনাবাহিনীর গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগ এনে সে সময় আমার নামে দেয়া হয়েছিল আরেকটা মিথ্যা মামলা। ছাত্র বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেয়ার কারণেই মূলত এ মামলাটি দেয়া হয়েছিল।

যা হোক এরপর, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করার দাবি ওঠে। তীব্র আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র থেকে ক্যাম্প সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী। আন্দোলন গোটা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে। রাজশাহীতে পুলিশের গুলিতে রিক্সাচালক আনোয়ার নিহত হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠে। তৎকালীন সেনা সমর্থীত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২২ আগস্ট বিভাগীয় শহরগুলোতে কার্ফিউ জারি করে এবং ওইদিন সন্ধ্যার মধ্যেই ঢাবির আবাসিক ছাত্র-ছাত্রীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

পরদিন ২৩ আগস্ট রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন ও অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ স্যারের চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় অজানা স্থানে। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েক জন শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ঢাবির আরও দুই জন শিক্ষকসহ ৫জন ছাত্র নেতাকে গ্রেপ্তার করে সেনা সমর্থিত সরকার। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ ৬৬ দিন পর তীব্র সমালোচনার মুখে ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস খুলে দেয়া হয়।

প্রশ্ন: দল ক্ষমতায় আসার পর কি ভূমিকা পালন করেছেন?

শেখ হোসেল রানা টিপু: ক্যাম্পাসকে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত করতে কাজ করেছি। দল ক্ষমতায় আসার পর সন্ত্রাসীদের ক্যাম্পাস থেকে বিতারিত করেছি। এরপর ক্যাম্পাসে কোন গোলাগুলি হয়নি। “ক্যাম্পাসে গোলাগুলিতে নিহত বা আহত” এমন সংবাদ হতে দেই নি। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে নিরাপদে অবস্থান করার ভরসা পেয়েছিল।

প্রশ্ন:বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে কি কি কাজ করেছেন?

শেখ হোসেল রানা টিপু: স্বেচ্ছাসেবক লীগে আমাকে চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কয়েকটি কমিটি ছাড়া বিভাগের প্রায় সব কমিটি গঠন করে দিয়েছি। চট্টগ্রাম মহানগর, কুমিল্লা জেলা, নোয়াখালি জেলা, ফেনী জেলা বাদে বাকি কমিটিগুলো দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল সাবেক ছাত্রনেতাদের দিয়ে, যারা সাবেক জেলা, থানা ছাত্রলীগের নেতা তাদেরকে দিয়ে যাতে কমিটি গঠন করি। আমরা নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক জেলায়, থানায় সাবেক ছাত্রনেতাদের অগ্রাধিকার দিয়ে কমিটি দিয়েছি।

প্রশ্ন: এলাকায় জনসংযোগ শুরু করেছেন কত দিন ধরে?

শেখ হোসেল রানা টিপু: পারিবারিকভাবেই আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা, চাচা মুক্তিযোদ্ধা এবং তিনি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তাই রাজনীতির হাতেখড়ি ছোটবেলা থেকেই হয়েছে। ‘জয় বাংল‘ স্লোগান শুনে শুনেই বড় হয়েছি। পরিবারিক আলোচনার দেশের রাজনৈতিক অবস্থা সব সময় আলোচিত হত। তাই জনগণের সাথে আমাদের সম্পৃক্ততা অনেক আগে থেকেই। আর নির্বাচনের আগে আগে জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের অধিক মাত্রায় জনসংযোগ করতে হয়। আমি জনগণের সাথে, এলাকার মানুষের সাথে সুখে, দুঃখে সবসময় সম্পর্ক রেখে আসছি। তাই বলতে পারেন জনসংযোগও বেশ আগে থেকেই করে আসছি।

প্রশ্ন: আপনার নির্বাচনী আসনে আরো অনেকেই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন বলে শোনা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আপনি কতটা এগিয়ে আছেন বলে মনে করছেন?

শেখ হোসেল রানা টিপু: আমি কতটা এগিয়ে এটা নির্বাচন করবে দল। আর এবার তো দল জরিপ করে মনোনয়ন দিবে। এখন দলের জরিপে আমার আসনে কি ফলাফল তা তো বলতে পারছি না। তারপরেও নেত্রীর দুঃসময়ে আমি রাজপথে ছিলাম। ছাত্রনেতা যখন ছিলাম তখন ছাত্রদের নিয়ে রাজনীতি করেছি। দলের নির্দেশ মেনে চলেছি। বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবকলীগের দায়িত্ব পালন করছি। আমার বিগত দিনের দায়িত্ব পালন এবং সেই দায়িত্বের দায়বদ্ধতা আমাকে প্রমাণ করে বলে আমি মনে করি।

প্রশ্ন: তৃণমূলে জরিপে আপনার অবস্থান?

শেখ হোসেল রানা টিপু: তৃণমূল জরিপে আমি এগিয়ে। নির্বাচনের আগে যদি আবারও জরিপ করা হয়। সেখানেও আমি এগিয়ে থাকবো বলে আশা করি।

প্রশ্ন: রাজবাড়ী আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে পরিচিত। এখান থেকে আওয়ামী লীগের টিকেটে নির্বাচন করতে এবার কতটা চ্যালেন্স থাকতে পারে?

শেখ হোসেল রানা টিপু: বিএনপি নির্বাচনে এলে কিছুটাতো চ্যালেঞ্জ থাকবেই। তবুও আমার নির্বাচনী আসন থেকে যদি আমাকে দলের সমর্থন দেয়া হয় তবে দ্বিগুন ভোটে নির্বাচিত হব।

প্রশ্ন: দলের সিদ্ধান্ত যদি আপনার পক্ষে না যায়?

শেখ হোসেল রানা টিপু: দলের বাইরে যেয়ে কখনো কিছু করি নি। করবোও না। যা করবো দলের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনপ্রিয় নেতাদেরকেই মনোনয়ন দেবে।

আপনাকে ধন্যবাদ।
শেখ সোহেল রানা টিপু: আপনাকেও ধন্যবাদ।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি