বৃহস্পতিবার ১৬ অগাস্ট ২০১৮



শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখ


আলোকিত সময় :
15.01.2017

বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা দরকার

বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের অভিজ্ঞতা অম্লমধুর। অধিক মুনাফার পেছনে ছুটে সহায়-সম্বল খুইয়ে স্টক এক্সেঞ্জের সামনে রাস্তায় ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও, মিছিল মিটিংও কম হয়নি। অবশেষে রণে ভঙ্গ। দীর্ঘদিনের খরা কাটিয়ে উঠে শেয়ারবাজার ২০১৬ সালের নভেম্বর মাস থেকে টানা উত্থানের মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে সূচক ও আর্থিক লেনদেন কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে। অসংখ্য কোম্পানির শেয়ার দরও বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। অতীত আমল বিবেচনায় বিনিয়োগকারীদের লোকসানের শঙ্কা বেড়ে চলেছে।

দৈনিক আলোকিত সময়সহ দেশের সকল গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, বিগত ২ মাসে ৫২টি কোম্পানির শেয়ার দর অস্বাভাবিক বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তদন্তে উঠে এসেছে এসব কোম্পানির শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো কারণ নেই। অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি পাওয়া ৫২টি কোম্পানির মধ্যে ১৮টিই ‘জেড’ ক্যাটাগরির। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৭ কোম্পানির অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে তদন্তে নেমেছে।

২ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিএসইসি।
অভিজ্ঞ মহলের মতে, কারণ ছাড়া কোনো কোম্পানির দর বৃদ্ধিতে ঝুঁকির সৃষ্টি করে। এতে করে বিনিয়াগকারীরা লোকসানের কবলে পড়তে পারে। সে পরিপ্রেক্ষিতে ৫২ কোম্পানির অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি পাওয়া মোটেই অগ্রাহ্যের বিষয় না। এজন্য বিনিয়োগকারীদেরকে সচেতন করতে অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলো নিয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়। তাই এক্ষেত্রে ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে বিনিয়োগকারীদের সচেতন হতে হবে। অনেকের মতে, অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের ইতিবাচক প্রভাবে শেয়ারবাজারে দাম বাড়ছে। এতে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি ও লোকসানের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। তাই লোকসানের সমূহ ক্ষতি থেকে বাঁচতে বিনিয়োগকারীদের সাবধান ও সতর্ক হতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে নিরীহ বিনিয়োগকারীদের বাঁচাতে প্রচারণামূলক ও অন্যান্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন আছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি